প্রশ্নঃ যে ধাতু বিশ্লেষণষ করা যায় না, তাকে বলা হয়-
ক. সাধিত ধাতু
খ. মৌলিক ধাতু
গ. যৌগিক ধাতু
ঘ. সংযোগমূলক ধাতু
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ কোন বাক্যটিতে সমাতুজ কর্ম আছে?
ক. সেই বই পড়ছে
খ. সে গভীর চিন্তাশয মগ্ন
গ. সে ঘুমিয়ে আছে
ঘ. সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়ন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর- এখানে হারায় কোন্ ধাতু?
ক. প্রযোজ্য ধাতুর
খ. নাম ধাতুর
গ. প্রযোজক ধাতুর
ঘ. কর্মবাচ্যের ধাতুর
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ কোন দুটি অনুসর্গ অব্যয়?
ক. ছি! ছি! ওগো
খ. না, উঃ
গ. অবশ্য, নিশ্চয়ই
ঘ. দ্বারা, দিয়া
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ নিচের কোনগুলো নাম পুরুষের উদাহরণ ?
ক. আমি, আমরা, আমাকে
খ. তারা, তাহারা, তাহাদের
গ. আপনি, আপনার, আপনারা
ঘ. আমি, আমাদের
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে
ক. শব্দ
খ. কারক
গ. পদ
ঘ. ক্রিয়াপদ
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ ‘সন্ধ্যা’ শব্দের বিশেষণটি নির্দেশ করুন-
ক. সাঁঝ
খ. সন্ধ্যা
গ. সন্দা
ঘ. সান্ধ্য
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ কোন শব্দটি বিশেষণ?
ক. বস্তু
খ. বাস্তব
গ. বিধি
ঘ. বিষাদ
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ কোনটি ক্রিয়া-বিশেষণের বিশেষণ?
ক. অতি শীঘ্র বাড়ি যাও
খ. সে খুব পরশ্রমী বালক
গ. খুব সুন্দর হাতের লেখা
ঘ. সত্যই আমি তোমাকে সাহায্য করব
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ কোন ধাতুর সঙ্গে পুরুষ ও কালসূচক ক্রিয়া বিভক্তি যোগে সেই ক্রিয়াপদ গঠিত হয়?
ক. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
খ. অকর্মক ক্রিয়া
গ. নাম ধাতুর ক্রিয়া
ঘ. যৌগিক ক্রিয়া
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ উপর, পাশে, নিচে প্রভৃতি পদান্বয়ী অব্যয়গুলো বাক্যে কি অর্থে ব্যবহৃত হয় ?
ক. করণ অর্থে
খ. অধিকরণ অর্থে
গ. অপাদান অর্থে
ঘ. নিমিত্ত অর্থে
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ মা শিশুকে ভাত খাওয়াচ্ছেন। এখানে শিশুকে-
ক. প্রযোজক কর্তা
খ. মুখ্য কর্ম
গ. প্রযোজক ক্রিয়া
ঘ. প্রযোজ্য কর্তা
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ নিচের কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দের অতিশায়ন ?
ক. সামান্য একটু দুধ দাও
খ. বাঘের চেয়ে সিংহ বলবান
গ. ধীরে ধীরে কাজ কর
ঘ. শনশনে হাওয়া
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ ‘চারটা বাজলে স্কুল ছুটি হবে’ বাক্যে ‘বাজলে’ ক্রিয়া কি অর্থ প্রকাশ করছে?
ক. কারণ
খ. ইচ্ছা
গ. আবশ্যকতা
ঘ. সম্ভাব্যতা
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ কোন অব্যয় শব্দ নিরর্থকভাবে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের শোভা বর্ধন করে?
ক. তৎসম অব্যয়
খ. অনুসর্গ অব্যয়
গ. বাক্যালংকার অব্যয়
ঘ. সমুচ্চয়ী অব্যয়
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ ব্যতিহারিক সর্বনাম কোনটি?
ক. ইহারা
খ. যিনি
গ. নিজে নিজে
ঘ. কেহ
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ কোনটি সমাপিকা ক্রিয়া?
ক. তপু বাড়ি গেলে
খ. বাবাকে দেখলে
গ. তাকে বলবে
ঘ. তুমি আসলে
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ অব্যয় পদ প্রধানত কয় প্রকার ?
ক. ৩
খ. ৪
গ. ৫
ঘ. ৬
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ নবম শ্রেণী, প্রথমা কন্যা – এখানে ‘নবম’ ও ‘প্রথমা’ কোন জাতীয় বিশেষণ ?
ক. ক্রমবাচক
খ. সমষ্টিবাচক
গ. পরিমাণবাচক
ঘ. সংখ্যাবাচক
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ শয়ন (শোয়ার কাজ), গমন (যাওয়ার কাজ) কি বাচক বিশেষ্য?
ক. গুণবাচক
খ. ভাববাচক
গ. গতিবাচক
ঘ. সাধারণ
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত –
ক. সমাজ
খ. পানি
গ. মিছিল
ঘ. নদী
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ মা শিশুকে দুধ খাওয়াচ্ছেন-এখানে কোন ধরনের ক্রিয়াপদ ব্যবহৃত হয়েছে?
ক. অকর্মক
খ. যৌগিক
গ. প্রযোজক
ঘ. সকর্মক
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বোঝায়,
ক. ক্রিয়াবচক বিশেষ্য
খ. ক্রিয়াবিশেষণ
গ. ক্রিয়াবিশেষ্যজাত
ঘ. ক্রিয়াবিভক্তি
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ যে পদ সর্বনাম ও বিশেষ্য পদকে বিশেষায়িত করে তাকে কী বলে?
ক. বিশেষণ
খ. বিশেষণের পদ
গ. নাম বিশেষণ
ঘ. ভাব বিশেষণ
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
ক. ধন অপেক্ষা মান বড়
খ. তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না
গ. ঢং ঢং ঘন্টা বাজে
ঘ. লেখা পড়া কর, নতুবা ফেল করবে
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বুঝায়, তা কি বিশেষ্য ?
ক. গুণবাচক বিশেষ্য
খ. ভাববাচক বিশেষ্য
গ. জাতিবাচক বিশেষ্য
ঘ. বস্তুবাচক বিশেষ্য
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ কোন বাক্যটি প্রযোজক ক্রিয়া দ্বরা গঠিত?
ক. মাথা ঝিম ঝিম করছে
খ. তোমার পরিশ্রমের ফল ফলেছে
গ. সাইরেন বেজে উঠলো
ঘ. মা শিশুটিকে চাঁদ দেখাচ্ছে
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ ব্যক্তিবাচক কর্মপদটিকে কোন কর্ম বলে ?
ক. মুখ্য কর্ম
খ. গৌণ কর্ম
গ. সমধাতুজ কর্ম
ঘ. ধাত্বর্থক কর্ম
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে ?
ক. ওরা কি করে
খ. আপনি আসবেন
গ. আমরা যাচ্ছি
ঘ. তোরা যাসনে
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ নিচের কোনগুলো সামীপ্যবাচক সর্বনামের উদাহরণ ?
ক. স্বয়ং, নিজ, খোদ
খ. কেহ, কেঊ, কিছু
গ. অন্য, অপর, পর
ঘ. স, এই, এরা
উত্তরঃ ঘ

আরো পড়ুন: