প্রশ্নঃ ‘পুষ্প রুমাকে আদর করে’-‘আদর করে’ কোন ধরনের ক্রিয়াপদ?
ক. সকর্মক
খ. যৌগিক
গ. প্রযোজক
ঘ. অকর্মক
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’- এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন ধরনের শব্দ?
ক. অবস্থাবাচক শব্দ
খ. বাক্যালঙ্কার শব্দ
গ. ধ্বনাত্মক শব্দ
ঘ. দ্বিরুক্ত শব্দ
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ ‘চৌচালা ঘর’ -এখানে কোন ধরনের বিশেষণ হয়েছে?
ক. ক্রিয়াজাত
খ. অব্যয়জাত
গ. সমাসসিদ্ধ
ঘ. সর্বনামজাত
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ নিম্নের কোনটি বিশেষ্য?
ক. মধুর
খ. স্নেহ
গ. সুতি
ঘ. কোনটিই না
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ ক্রিয়াপদ –
ক. সব সময় বাক্যে থাকবে
খ. কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে
গ. শুধু অতীত কাল বুঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয়
ঘ. আসলে বিশেষণ থেকে অভিন্ন
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ কোনটি বিশেষণবাচক শব্দ-
ক. জীবন
খ. জীবনী
গ. জীবিকা
ঘ. জীবাণু
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ ‘সমুচ্চয়’ অব্যয়ের অপর নাম কি ?
ক. অনন্বয়ী অব্যয়
খ. সম্বন্ধবাচক অব্যয়
গ. অনুকার অব্যয়
ঘ. অনুসর্গ অব্যয়
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ যে বিশেষ্য পদে কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয়, তাকে কি বলে ?
ক. ভাববাচক বিশেষ্য
খ. সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
গ. বস্তুবাচক বিশেষ্য
ঘ. নামবাচক বিশেষ্য
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ কোন বাক্যে অসমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে?
ক. আমি ভাত খাচ্ছি
খ. আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব
গ. আমি দুপুরে ভাত খাই
ঘ. তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে উঠ
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ বেলে মাটি, মেটে কলসী, পাথুরে মুর্তি – কোন বিশেষণের উদাহরণ ?
ক. রূপবাচক
খ. অবস্থাবাচক
গ. উপাদানবাচক
ঘ. পরিমাণবাচক
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ যে পদে বাক্যের ক্রিয়া পদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা প্রকৃতগত অবস্থা বুঝায়, তাকে বলা হয় –
ক. ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য
খ. ক্রিয়া বিশেষণ
গ. ক্রিয়া বিশেষ্যজাত বিশেষণ
ঘ. ক্রিয়া বিভক্তি
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ নিচের কোনগুলো ব্যতিহারিক সর্বনামের উদাহরণ ?
ক. আপনা, আপনি
খ. যিনি, যারা
গ. সকল, সমুদয়
ঘ. এরা, ইহারা
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ যে পদে বেশ সংখ্যক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টি বুঝায় তাকে কোন ধরনের বিশেষ্য বলে ?
ক. ভাববাচক বিশেষ্য
খ. জাতিবাচক বিশেষ্য
গ. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
ঘ. বস্তুবাচক বিশেষ্য
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ করুণাময় তুমি – কিসের উদাহরণ ?
ক. বিশেষ্যের বিশেষণ
খ. সর্বনামের বিশেষণ
গ. ক্রিয়াজাত বিশেষণ
ঘ. ক্রিয়ার বিশেষণ
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ স্রোতের কলকল ধ্বনি সত্যিই মনোমুগ্ধকর। এ বাক্যে ‘কলকল’ কোন ধরণের অব্যয় ?
ক. সমুচ্চয়ী অব্যয়
খ. অনুকার অব্যয়
গ. অনন্বয়ী অব্যয়
ঘ. অনুসর্গ অব্যয়
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ নিচের কোনটির কোনো পুরুষের নেই ?
ক. বিশেষ্য
খ. সর্বনাম
গ. ক্রিয়ার
ঘ. অব্যয়
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ কোন বাক্যটিতে অনুজ্ঞা আছে?
ক. আবার তোরা মানুষ হও
খ. মানুষ মরণশীল
গ. সে বই পড়ে
ঘ. ঢাকা বড় শহর
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ ‘যদি, তথা’-প্রভৃতি কোন শ্রেণীর অব্যয়?
ক. খাঁটি বাংলা অব্যয়
খ. তৎসম অব্যয়
গ. বিদেশী অব্যয়
ঘ. সংস্কৃত অব্যয়
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ পূনশ্চ, যদি, যথা প্রভৃতি কোন প্রকার অব্যয় শব্দের উদাহরণ ?
ক. তৎসম অব্যয় শব্দ
খ. বিদেশী অব্যয় শব্দ
গ. খাঁটি বাংলা অব্যয় শব্দ
ঘ. কোনটিই নয়
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ কোনগুলো বিশেষ্য পদের উদাহরণ?
ক. সবুজ মাঠ, কালো মেঘ
খ. টসটসে ফল, তকতকে মেঝে
গ. আমরা, তোমরা
ঘ. আরব সাগর, বিশ্বনবী
উত্তরঃ ঘ

পদাশ্রিত নির্দেশক:

প্রশ্নঃ সেইটেই ছিল আমার প্রিয় কলম – এ বাক্যের পদাশ্রিত নির্দেশক কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
ক. নির্দিষ্ট
খ. অনির্দিষ্ট
গ. সুনির্দিষ্ট
ঘ. কোনটিই নয়
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ টি, টা, খানা, খানি – কোন বচনে ব্যবহৃত হয় ?
ক. একবচন
খ. দ্বিবচন
গ. বহুবচন
ঘ. সংখ্যা
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ ‘এক যে ছিল রাজা’ -এখানে পদাশ্রিত নির্দেশক কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক. নির্দিষ্টতা অর্থে
খ. অনির্দিষ্টতা অর্থ
গ. নিরর্থকভাবে
ঘ. বাহুল্যভাবে
উত্তরঃ খ

প্রশ্নঃ বচনবাচক শব্দের আগে বসে কোনটি ?
ক. টাকা
খ. টুকু
গ. গোটা
ঘ. খানি
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ কি ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশকের বিভিন্নতর হয় ?
ক. কালভেদে
খ. পুরুষভেদে
গ. বচনভেদে
ঘ. পদভেদে
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ সত্য বই মিথ্যে বলবো না। এখানে বই-
ক. বিশেষ্য
খ. উপসর্গ
গ. অনুসর্গ
ঘ. প্রত্যয়
উত্তরঃ গ

প্রশ্নঃ বিশেষ অর্থে নিদিষ্টতা জ্ঞাপনে কোনগুলো ব্যবহৃত হয় ?
ক. এক
খ. একযে
গ. কেতা, এক, টি
ঘ. কেতা, তা, পাটি
উত্তরঃ ঘ

প্রশ্নঃ ন্যাকামিটা এখন রাখ, বাক্যে ন্যাকামি শব্দের সাথে টা যুক্ত হয়ে কোন অর্থ প্রকাশ করে ?
ক. নিরর্থকতা
খ. সার্থকতা
গ. দ্ব্যর্থকতা
ঘ. ভিন্নার্থকতা
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ ‘অনুসর্গ’ সম্পর্কে কোন বাক্যটি সটিক নয়?
ক. ধাতুর পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে
খ. কখনো কখনো বাক্যে স্বাধীন পদরূপে ব্যবহৃত হয়
গ. বাক্যের অর্থ সম্পাদনের সাহায্য করে
ঘ. কখনো বাক্যে বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়
উত্তরঃ ক

প্রশ্নঃ কোন পদাশ্রিত নির্দেশকটি নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতা উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয় ?
ক. টা
খ. টি
গ. টুকু
ঘ. গোটা
উত্তরঃ গ

আরো পড়ুন: